বাংলাদেশে
প্রথমবারের
মতো Lie detector polygraph test for cheating!
দেশের
সর্বপ্রথম ও একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে 𝐅𝐨𝐫𝐞𝐧𝐬𝐢𝐜𝐁𝐃™ এবার নিয়ে এসেছে সত্য-মিথ্যা যাচাইকরণের
এই সার্ভিসটি।
পলিগ্রাফ
টেস্ট বা Lie Detector Test হলো সত্য-মিথ্যা নির্ণয়ে ব্যবহৃত একটি মূল্যায়ন পদ্ধতি
যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির শারীরিক প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করে তার বক্তব্যের সত্যতা
যাচাই করা হয়।
পলিগ্রাফ টেস্ট কীভাবে কাজ করে?
পলিগ্রাফ
যন্ত্রটি একসাথে কয়েকটি শারীরিক পরিবর্তন রেকর্ড করে, যেমন:
-
হৃদস্পন্দনের হার (Heart Rate);
-
রক্তচাপ (Blood Pressure);
-
শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি (Respiration Rate);
-
ঘাম বা ত্বকের বৈদ্যুতিক প্রতিক্রিয়া (Skin Conductance);
-
চোখের মণির আকারের পরিবর্তনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পার্থক্য (Pupillary Response)।
কোনো
ব্যক্তি মিথ্যা কথা বললে, তখন তার মধ্যে এক ধরনের অভ্যন্তরীণ স্ট্রেস সৃষ্টি হয়, যার
ফলে এই শারীরিক প্রতিক্রিয়াগুলোতে পরিবর্তন দেখা যায়। এগুলো মূলত দেহের "𝗔𝘂𝘁𝗼𝗻𝗼𝗺𝗶𝗰 𝗡𝗲𝗿𝘃𝗼𝘂𝘀 𝗦𝘆𝘀𝘁𝗲𝗺" এর কারণে হয়ে থাকে, যা কোনো ব্যক্তির
নিজের কন্ট্রোলে থাকে না। দেহের সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন হয়ে
থাকে।
পলিগ্রাফ
এক্সামিনার উক্ত পরিবর্তনগুলো বিশ্লেষণ করে ব্যক্তি সত্য না মিথ্যা বলছে সে সম্পর্কে
নিরপেক্ষ রিপোর্ট দিয়ে থাকেন।
আমাদের পলিগ্রাফ মেশিনে রয়েছে –
1.
CPS Elite System with Electronic Pneumos;
2.
CPS Plethysmograph;
3.
CPS Elite Complete Movement Sensor Package:
i)
Masseter Headset
ii)
Arm Sensors
iii)
Feet sensors
iv)
Seat Sensor
যা
একটি সর্বাধুনিক কম্পিউটারাইজড পলিগ্রাফ সিস্টেম!
১️.
প্রি-টেস্ট ইন্টারভিউ (Pre-test Interview):
পরীক্ষার
আগে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে পুরো প্রক্রিয়া বুঝিয়ে বলা হয়। এক্ষেত্রে আমাদের প্রতিষ্ঠান
ব্যক্তির বডি ল্যাংগুয়েজ এনালাইসিস এবং সাইকোলজিক্যাল প্রোফাইলিং করে সে সম্পর্কিত
ডেটা কালেকশন করে থাকে।
২️.
মূল পরীক্ষা (Polygraph Examination):
উক্ত
ব্যক্তির জন্য নির্ধারিত প্রশ্নসমূহ তৈরী করা হয়। ব্যক্তির ইন্টারভিউ নেয়া হয় এবং একই
সময়ে যন্ত্রের মাধ্যমে শারীরিক প্রতিক্রিয়া রেকর্ড করা হয়।
৩️.
ডাটা অ্যানালাইসিস (Data Analysis):
সংগৃহীত
তথ্য নির্দিষ্ট চার্ট বা গ্রাফ অথবা পেপারে বিশ্লেষণ করা হয়।
৪️.
ফলাফল (Opinion):
বিশ্লেষণ
শেষে পরীক্ষকগণ তাদের প্রফেশনাল মতামত দিয়ে থাকেন।
পলিগ্রাফ টেস্ট কোথায় ব্যবহার করা হয়?
পলিগ্রাফ
টেস্ট এর ব্যবহার বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকর রয়েছে। যেমন-
১.
সন্দেহ যাচাই
২.
পরকিয়া, বৈবাহিক বা পারিবারিক বিরোধ
৩.
কর্পোরেট জালিয়াতি ও অভ্যন্তরীণ তদন্ত
৪.
অপরাধ তদন্ত
৫.
চাকরী ও কর্মী যাচাইয়ের ক্ষেত্রে
৬.
আইনি সহায়ক মূল্যায়ন
বিশ্বের
অনেক দেশে পলিগ্রাফ টেস্ট ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
এসকল
দেশগুলোতে পলিগ্রাফ টেস্ট প্রাইমারি এভিডেন্স বা মূল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত না হলেও
সহায়ক প্রমাণ (Supporting Evidence) হিসেবে বিবেচিত হয়।
যা
তদন্তকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে অনেকাংশে সহযোগিতা করে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্র,
মেক্সিকো, রাশিয়া, ইসরাইল, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইউক্রেন, জাপান ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশে সরকারি
ও বেসরকারিভাবে পলিগ্রাফ টেস্ট ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
পলিগ্রাফ টেস্টের সুবিধা:
-
তদন্ত দ্রুত ও কার্যকর হয়
-
মিথ্যা বক্তব্য শনাক্তে সহায়ক
-
নির্দোষ ব্যক্তির মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে
-
স্বীকারোক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়।
পলিগ্রাফ
টেস্ট পরিচালনা করেন প্রশিক্ষিত ও সার্টিফাইড Polygraph Examiner, যাদের মনোবিজ্ঞান
ও ফরেনসিক বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি ও দক্ষতা থাকে। আমাদের ForensicBD™ প্রতিষ্ঠানের পলিগ্রাফ
টেস্ট ইনভেস্টিগেশনের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ফরেনসিক সাইকোলজিস্ট Md Meraz Hossain.
বস্তুত,
পলিগ্রাফ টেস্ট হলো একটি বৈজ্ঞানিক, সহায়ক ও বিশ্লেষণভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি, যা সত্য-মিথ্যা
যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এটি সবসময় পেশাদার বিশ্লেষণ ও অন্যান্য প্রমাণের
সাথে মিলিয়ে ব্যবহার করা উচিত।
উল্লেখ্য
যে, যার Polygraph test করা হবে, তাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ টেস্টে অংশ নিতে হবে।
BIFPS উক্ত ব্যক্তির Psychological Profiling এবং Body Language Analysis এর মাধ্যমে
Interviewing Data প্রস্তুত করে এরপর পলিগ্রাফ টেস্ট নিয়ে থাকে। নির্দিষ্ট দিন পর উক্ত
ব্যক্তির Polygraph Test এর Report প্রদান করা হয়।
যোগাযোগের
ঠিকানা –
কল/হোয়াটসঅ্যাপ:
01988-896656 ই-মেইল:
forensicbd.org@gmail.com
১/৮৫/সি,
২য় তলা, ইস্টার্ণ বনবীথি শপিং কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বনশ্রী, খিলগাঁও, ঢাকা-১২১৯।